কর্মক্ষমতা অনুযায়ি পুরস্কার, তিরস্কার

0
10

কাজের লক্ষ ঠিক করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সকল সচিবকে চিঠি দেয়া হয়েছে। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তার অধীন সংস্থার সাথে ‘কর্মক্ষমতা চুক্তি’ করতে যাচ্ছে। ব্যবস্থা করা হচ্ছে সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘পুরস্কার’ ও ‘তিরস্কার’।
আগামী এক বছর কে কি করবে এবং কিভাবে করবে তা জানাতে বলা হয়েছে। এই লক্ষ ঠিক করার এক বছর পর আবার তা মুল্যায়ন হবে। পর্যায়ক্রমে সরকারি সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে এর আওতায় আনা হবে।
গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সিনিয়র সচিব আবুল কালাম আজাদ। বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথোরিটি (বেপজা), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা), বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আলাদা আলাদা চুক্তি করবে। সেই চুক্তিপত্রে এক বছরের কাজের বিবরণ নির্দিষ্ট করা হবে। আপাতত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সংস্থার সাথে ‘কর্মক্ষমতা চুক্তি’ (পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট) করা হবে।
প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা সংস্থাকে কেপিআই এর ওপর ভিত্তি করে ১০০ নম্বরের ওপর যাচাই করা হবে। ৯০ থেকে ১০০ নম্বর পাওয়া কোম্পানিগুলোর জন্য পুরস্কার হিসেবে বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। ৮০ নম্বরের নিচে পেলে ওই কোম্পানিকে জরিমানা করা হবে। এক বছরের জন্য এই চুক্তি করা হবে। প্রতিবছর চুক্তি অনুযায়ি মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিবছর আবার নতুন করে চুক্তি করা হবে।
বিদ্যুত্খাতে সিস্টেম লস, বকেয়া, রাজস্ব আদায়, গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন, পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নয়ন, আর্থিক অবস্থা, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিসহ অন্য কয়েকটি বিষয় নিয়ে কেপিআই নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যুত্খাতের মতই অন্য প্রতিষ্ঠানেও করা হবে।
পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, কেপিআই এর মাধ্যমে সংস্থাগুলোর কাজের স্বচ্ছতা নির্ধারণ করা সহজ হচ্ছে। এরফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ, উন্নত সেবা দিতে বিদ্যুত্ বিতরণ কোমঙ্ানিগুলোর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটছে। কেপিআই হলে কোম্পানিগুলো অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বি হয়ে উঠবে। এর মাধ্যমে সংস্থাগুলোর বাত্সরিক দক্ষতা নিরুপণ করা অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করা সম্ভব হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here