সমস্যা বলার সাথে সাথেই সমাধান পেলেন বিদ্যুৎ গ্রাহক

0
5

সমস্যা বলার সাথে সাথেই সমাধান পেলেন বিদ্যুতের গ্রাহকরা। আবেদন করেছেন কিন্তু নতুন সংযোগ পাচ্ছেন না। সংযোগ আছে কিন্তু বাড়তি প্রয়োজনের বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। বকেয়া আছে কিস্তি হচ্ছে না। এমন ছোটখাট জটিলতার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেলেন অনেকে।
উপস্থিত সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিক গণশুনানীর আয়োজন করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মতিঝিল ডিপিডিপি কার্যালয়ে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে নেয়া হল গ্রাহকদের মতামত।
অনুষ্ঠানে ডিপিডিসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) নজরুল হাসান, পরিচালক (অপারেশন) রফিকউদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকৌশল) রমিজ উদ্দিন সরকারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থি’ত ছিলেন। লালবাগ, কামরাঙ্গিরচর, রমনা, রাজারবাগ, মতিঝিল ও মুগদাপাড়া এলাকার গ্রাহকদের সমস্যা নিয়ে শুনানী করা হয়।
পুরানো ঢাকার গ্রাহকদের বেশিরভাগই ভবনে রাজউকের অনুমোদন না থাকায় সংযোগ নিতে পারছে না বলে অবিযোগ করেছেন। তাদের দাবি পুরানো ঢাকায় অল্কপ্প জমিতে বাড়ি করা হয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবেই এখানে রাস্তা সরু। তবুও এখানে রাজউক কোন অনুমোদন দিচ্ছে না। তাই রাজউকের অনুমোদন না থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার অনুরোধ করা হয়। এসময় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ানোর জন্য নতুন করে আর কোন কাগজ প্রয়োজন হবে না বলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সকল কর্মকর্তাদের জানান।
গণশুনানীতে লালবাগের শিল্প গ্রাহক সাঈদুজ্জামান অভিযোগ করেন, কোন সমস্যা হলে, ট্রান্সফরমার পুড়ে গেলে কিংবা তার ছিড়ে গেলে ডিপিডিসি অফিসে ফোন করলে দ্র“ত সময়ে তা মেরামত করতে কর্তৃপক্ষ আসেন ঠিকই। কিন্তু দেখা যায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আনেননি। এতে আবার অফিস গিয়ে সরঞ্জাম এনে মেরামত করতে অনেক সময় চলে যায়। এখানে ব্যবস্থাপনা আরও ভাল করা প্রয়োজন বলে তিনি পরামর্শ দেন। দেলওয়ার হোসেন বলেন, পুরানো ঢাকার মানুষ সব সময় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেন। ট্রান্সফরমান পুড়ে গেলে বা ফেটে গেলে ভবন নড়ে উঠে। ভবনের সাথেই ট্রান্সফরমার লাগানো হয়েছে। এতে সব সময় আতগ্ধেক থাকতে হয়। বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে শোধ করার সুযোগ দেয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
ছয়শ বর্গফুট জমির উপর সাত তলা বাড়ি করেছেন ওমর ফারুক। তিন তলা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। কিন্তু নতুন তলায় সংযোগ দিচ্ছেন না অভিযোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ডিপিডিসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঢাকা শহরে ভবিষ্যতে কোন  ঝুলন্ত তার থাকবে না। রাস্তায় কোন বিদ্যুতের খুটি থাকবে না। সব মাটির নিচে নিয়ে যাওয়া হবে। পুরানো ঢাকায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সকল তার ও ট্রান্সফরমার মাটির নিচে নিয়ে যাওয়া হবে। আগে লালবাগে বিদ্যুতের অনেক সমস্যা ছিল। এখন আর নেই। তিনি বলেন,  সকল গ্রাহক যাতে সহজভাবে বিদ্যুৎ পেতে পারেন সে ব্যবস্থা করা হবে। মতিঝিলে ২২ তলা ভবন করা হবে। ভবনের নিচে সাবস্টেশন করা হবে। এবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠের নিচে,  ফার্মগেট, হাতিরপুর, ধানমন্ডিতে মাটির নিচে সাবস্টেশন করা হবে। এতে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here