বাড়তি বেতন পাচ্ছে না পিজিসিবি

3
83

নতুন কাঠামোতে বেতন পাচ্ছে না পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ১৬ই জুন বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানির নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়। সকল কোম্পানির বেতন ৭৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এই বেতন ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
এবার ঈদে সব কোম্পানিই এই কাঠামো অনুযায়ি বেতন ও বোনাস পেয়েছে। কিন্তু সে সুবিধা পিজিসিবি এখনো পায়নি। তাদের বেতন না বাড়িয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
পিজিসিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি আদেশ অমান্য করে বেতন দেয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে পিজিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারিদের।
নতুন কাঠামোতে সর্বোচ্চ এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং সর্বনিন্ম বেতন ১৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবছর চার শতাংশ করে বেতন বাড়বে।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ি, ২০টি গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলো বর্তমানে গ্রেড-১ বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বেতন আছে এক লাখ টাকা। এটি বাড়িয়ে এক লাখ ৭৫ টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-২ এ ৮০ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা, গ্রেড-৩ এ ৬৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১৪ হাজার টাকা, গ্রেড-৪ এ ৫৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৮ হাজার টাকা, গ্রেড-৫ এ ৪৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৯ হাজার টাকা, গ্রেড-৫ এ ৩৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬১ হাজার টাকা, গ্রেড-৬ এ ২৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫১ হাজার টাকা, গ্রেড-৭ এ ২৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ হাজার টাকা, গ্রেড-৮ এ ২১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৭ হাজার টাকা, গ্রেড-৯ এ ১৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩১ হাজার টাকা, গ্রেড-১০ এ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮ হাজার টাকা, গ্রেড-১১ এ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা, গ্রেড-১২ এ ১৩ হাজার ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার টাকা, গ্রেড-১৪ এ ১৩ হাজার ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩ হাজার টাকা, গ্রেড-১৫ এ ১১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা, গ্রেড-১৬ এ ১০ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮ হাজার টাকা, গ্রেড-১৭ এ নয় হাজার ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭ হাজার টাকা, গ্রেড-১৮ এ নয় হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা, গ্রেড-১৯ এ আট হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-২০ এ সাত হাজার ৭৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার টাকা করা হয়েছে।

3 COMMENTS

  1. উৎপাদন ও সঞ্চালন কোম্পানীর জন্য যে বেতন কাঠামো উপরে দেওয়া হয়েছে সেটা ঠিক নয় । এ কথা সত্য যে সরকারের সিদ্ধান্ত অন্যান্য সকল কোম্পানী মেনে নিলেও পিজিসিবি তে এখন পর্যন্ত মানা হয়নি। যদিও পিজিসিবি তে একটি কথা প্রচলিত আছে যে এখানকার অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীই সরকার বিরোধী ঘরানার। তাই এত যুগপোযোগী একটা পে-স্কেল দেয়ার পরও ভিন্ন মতালম্বী কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীর প্ররোচনায় ম্যানেজমেন্টকে বিভ্রান্ত করে পিজিসিবিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার একটা অপচেষ্টা মাত্র। বলা হচ্ছে যে কর্মচারীর দুইটা গ্রেডে বেতন ৭৫% এর চেয়ে কিছু কম বাড়ছে কিন্তু প্রায় এক বছর পর্যালোচনা করে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী , মাননীয় সচিব(বিদ্যুৎ বিভাগ), পে-স্কেল কমিটির চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত গন কোম্পানী গুলোর প্রধানদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করে যে স্কেল দিয়েছেন সেটা কয়েকজনের গোপন আতাতের মধ্য দিয়ে বাতিল হয়ে যাবে সেটা অন্তত পিজিসিবির কোন কর্মকর্তা কর্মচারীরা মেনে নেবেনা। যদি কোন গ্রেডে ৭৫% এর কম বেড়ে থাকে এবং সেটা যদি সংশোধনযোগ্য হয় সেখানে পিজিসিবির বোর্ড সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এবং বোর্ড মিটিংএ সেটা সমাধান হতে পারতো কিন্তু সেটা কোন ক্রমেই ঘোষিত স্কেলের অন্যান্য যে সকল গ্রেডে অসন্তোষ নেই সেটা পুনঃ নির্ধারন করার কোন প্রয়োজনীয়তা আছে আমি মনে করিনা । আর সেটা করলে পিজিসিবির কর্মকর্তা কর্মচারীরা সেটা কোন ভাবেই মেনে নেবেনা। এখানে উল্লেখ্য যে কর্মচারীদের কোন কোন গ্রেডে ১০০% থেকে ১৫২% পর্যন্ত বেড়েছে। আমি মনে করি সরকার বিরোধী এ কয়েকজনকে চিহ্নিত করে অযথা এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদানের মধ্যদিয়ে এবং অবিলম্বে সদ্য ঘোষিত পে-স্কেল প্রদান করে সঞ্চালন ব্যবস্থার জাতীয় এ প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করার এখনই উপযুক্ত সময়।

    • জনাব জুয়েল সাহেবের সাথে আমি একমত। কিছু পথভ্রষ্ট কর্মকর্তা আর সিবিএ নেতাদের স্বার্থের জন্য ম্যানেজমেন্টকে miss guide করা হচ্ছে। আর যখন কোন প্রতিষ্ঠান তার কর্মকর্তাদের অমরত্ব দানে ব্যস্ত থাকে তখন ঐ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ অবাস্তব নয়। কেউ লক্ষ্ করলে খুব সহজেই দেখতে পাবেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল নির্বাহি পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীই বর্ধিত চাকুরি মেয়াদে বেতন ভাতা নিচ্ছে। বোর্ড মনে করে এই সকল চেনা-জানা কর্মকর্তাদের চাকুরির মেয়াদ বাড়িয়ে নিজেদের ফায়দা লুটতে। আরে ভাই ভুলে যান কেন ০২ বছর পর যখন ঐ ব্যক্তিরা থাকবেন না তখন কারা ঐ পদ চালাবেন? নিচের পদের লোকদের পদন্নোতির ব্যবস্থা করেন কর্মি অসন্তোষ কমবে আর কর্ম চাঞ্চল্লতা বাড়বে।

  2. জনাব জুয়েল সাহেবের সাথে আমি একমত। কিছু পথভ্রষ্ট কর্মকর্তা আর সিবিএ নেতাদের স্বার্থের জন্য ম্যানেজমেন্টকে miss guide করা হচ্ছে। আর যখন কোন প্রতিষ্ঠান তার কর্মকর্তাদের অমরত্ব দানে ব্যস্ত থাকে তখন ঐ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ অবাস্তব নয়। কেউ লক্ষ্য করলে খুব সহজেই দেখতে পাবেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল নির্বাহি পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীই বর্ধিত চাকুরি মেয়াদে বেতন ভাতা নিচ্ছে। বোর্ড মনে করে এই সকল চেনা-জানা কর্মকর্তাদের চাকুরির মেয়াদ বাড়িয়ে নিজেদের ফায়দা লুটতে। আরে ভাই ভুলে যান কেন ০২ বছর পর যখন ঐ ব্যক্তিরা থাকবেন না তখন কারা ঐ পদ চালাবেন? নিচের পদের লোকদের পদন্নোতির ব্যবস্থা করেন কর্মি অসন্তোষ কমবে আর কর্ম চাঞ্চল্লতা বাড়বে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here