পিডিবি-আরইবি’র কার্যক্রম একই এলাকায় নয়

0
11

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) – বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)’র কার্যক্রম একই এলাকায় না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, পিডিবি ও আরইবি একই এলাকায় না থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিডিবি এবং আরইবি একই এলাকায় থাকা ঠিক নয়। এতে নানা সমস্যা হয়। তিনি বলেন, গ্যাস বিতরণের জন্য যত প্রকল্প নেয়া দরকার এখনই নিতে হবে। কারণ, এখন স্টিলের দাম কম। গ্যাস পাইপ নির্মাণে খরচও কম হবে।
সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতের চারটি প্রকল্পসহ মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। এসব প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে মোট ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি। এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৭০৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ৩ হাজার ৭২৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২৬৬ কোটি ৪৪ লাথ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে পাওয়া যাবে ৯ হাজার ৭০৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতাবর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) প্রকল্প। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, নিজস্ব তহবিল থেকে ৪ কোটি ২৭ লাথ এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে এডিবি দেবে ২ হাজার ৪৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। “বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতাবর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণ (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ)” প্রকল্প।এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ২০১ কোটি ৭৭ লাথ টাকা, নিজস্ব তহবিল ৪ কোটি ২৭ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য ১ হাজার ৮৭১ কোটি ৫০লাথ টাকা। এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর পুরোটাই দেবে সরকার।
গ্যাস ট্রান্সমিশন ক্যাপাসিটি এক্সপানশন-আশুগঞ্জ টু বাখরাবাদ (২য় সংশোধিত)” প্রকল্প।এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর পুরোটাই সরকার দেবে।
এছাড়া মুরাদপুর ২নং গেইট ও জিইসি ফ্লাইওভার নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ২০টি পরিত্যক্ত বাড়ীতে ৩৯৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প, টঙ্গী-কালিগঞ্জ-ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা আঞ্চলিক মহাসড়কের (আর-৩০১) শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতু হতে পাঁচদোনা পর্যন্ত অংশ জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প, কক্সবাজার জেলার বাঁকখালী নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিস্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (১ম পর্যায়)প্রকল্প এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপারেশন সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here